নবীনগর প্রতিনিধি:
নবীনগর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের মানুষ আজ বিদ্যুতের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দিনের বেশিরভাগ সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না। একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে কখন আসবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। প্রচণ্ড গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে, ছোট ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন, আর সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ।
কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছেন গ্রামবাসী—যেখানে সারাদিন বিদ্যুৎ থাকে না, সেখানে মাস শেষে ১ হাজার থেকে ৪-৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল আসে কীভাবে? এই বিল কীভাবে নির্ধারণ করা হচ্ছে, তার কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা তারা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ।
গ্রামবাসীর ভাষায়, “একদিকে বিদ্যুৎ নেই, অন্যদিকে বিলের বোঝা। আমাদের কাছে এটা যেন বিদ্যুৎ বিল বাড়ানোর নামে এক ধরনের চাঁদাবাজি চলছে।” তারা দাবি করেন, সেবার মান না বাড়িয়ে শুধু বিল বাড়ানো সাধারণ মানুষের সঙ্গে অন্যায়।
এলাকাবাসী আরও বলেন, “আমরা দিন আনি দিন খাই। আয় বাড়ে না, শুধু খরচ বাড়ে। বাজারের আগুন, সংসারের চাপ, তার ওপর কয়েক হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল—এভাবে আর কতদিন চলবে?”
তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সমস্যার কথা জানানো হলেও কার্যকর কোনো সমাধান মেলেনি। ফলে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দিন দিন বাড়ছে।
গ্রামবাসীর দাবি—
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
অতিরিক্ত বিলের কারণ প্রকাশ করতে হবে।
বিল নির্ধারণে স্বচ্ছতা আনতে হবে।
অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলেন, “আমরা বিদ্যুৎ চাই, অন্যায় বিল নয়। জনগণের কষ্টের টাকা নিয়ে যেন আর কেউ খেলতে না পারে।”
