রংপুরে শিক্ষক পরিবারের ৪ হত্যাকাণ্ড: অভিযুক্ত ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দেন বাবা
awlad • 3 hours আগে
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসকে পুলিশের হাতে তুলে দেন তার বাবা বিনয় দাস। নিহত পরিবারের বাড়ির দেয়ালঘেঁষা বাড়িতেই বসবাস করতেন সিদ্ধার্থ।
রোববার (২৩ আগস্ট) ভোরে পুলিশ সিদ্ধার্থের খোঁজে তার বাড়িতে গেলে বিনয় দাস জানান, ছেলে পাশের চাচার বাড়িতে ঘুমাচ্ছেন। পরে হত্যাকাণ্ডের খবর জানার পর তিনি নিজেই সেখানে গিয়ে সিদ্ধার্থকে ডেকে এনে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে সংবাদমাধ্যমকে জানান।

বিনয় দাস বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত, তাদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে।” একইসঙ্গে তিনি জানান, নিজের ছেলে এমন ঘটনার সঙ্গে জড়িত—এ কথা তিনি সহজে মেনে নিতে পারছেন না। ছেলে দোষী প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী শাস্তি মেনে নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যা বলছে পুলিশ
পুলিশের দাবি, নিহত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনের সময় সিদ্ধার্থ দাস ও তার মামাতো ভাই মুগ্ধ দাসকে বাধা দেন গণপতি। এরপর বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় প্রথমে গণপতিকে হত্যা করা হয়। পরে একে একে তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং ১২ বছর বয়সী ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, হত্যার পর অভিযুক্তরা বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। পরে তাদের দেখানো স্থান থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে নিহত পরিবারের ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে পরিচিত সিদ্ধার্থের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় স্থানীয়দের মধ্যেও বিস্ময় দেখা দিয়েছে।




